ফেসবুকে ভিডিও দেখে মাকে ফিরে পেয়েছে শিশুরা

ফেসবুকে ভিডিও দেখে মাকে ফিরে পেয়েছে শিশুরা, মানসিক ভারসাম্যহীন অজুফা বেগম

(৬৫) ২৮ মাস আগে ঢাকার মিরপুরে ছেলের বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। মাসখানেক আগে পিরোজপুরের নেছারাবাদ

উপজেলার বিন্না বাজারে আজুফা বেগমকে ঘুরে বেড়াতে দেখে কোহিনূর বেগম নামে এক স্থানীয় নারী তাকে

আশ্রয় দেন।২০ নভেম্বর, আলী হায়দার মল্লিক আবদুল্লাহ নামে একজন এনজিও কর্মী অজুফা

বেগমের একটি ছবি এবং ভিডিও তোলেন। এরপর তিনি তার পরিচিত আইনজীবী আরিফুর রহমানের কাছে ছবি

ও ভিডিও পাঠান। আরিফুর রহমান ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। গত সোমবার অজুফা বেগমের

স্বজনরা পোস্টটি দেখে আরিফুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আজ বুধবার সকালে নেছারাবাদ উপজেলার

বিন্না গ্রামে আসেন অজুলা বেগমের ছেলে দুলাল মিয়া ও মেয়ে নাজমা বেগম। মাকে ফিরে

পেয়ে তারা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:allresult.xyz

ফেসবুকে ভিডিও দেখে মাকে ফিরে পেয়েছে শিশুরা

অজুফা বেগমের বাড়ি কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার চর বেতাল গ্রামে।পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজুফা বেগম তার ছেলে দুলাল মিয়ার সঙ্গে রাজধানীর মিরপুরে থাকতেন। ২৬ আগস্ট, ২০১৯ তারিখে, তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও দুলাল মিয়া তাকে না পেয়ে একই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর রূপনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এক মাস আগে স্থানীয় বলদিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য বাবুল বাহাদুর নেশারাবাদ উপজেলার বিন্না বাজারে অজুফা বেগমকে খুঁজে পেয়ে কোহিনুর বেগমের কাছে আশ্রয় দেন। বাচ্চাদের খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত অজুফা সেখানেই ছিল।দুলাল মিয়া বলেন, ‘অনেক জায়গায় মাকে পেয়েছি। এক পর্যায়ে পাওয়ার আশা ছেড়েই দিলাম। অবশেষে মাকে ফিরে পেলাম। সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ. ‘আরিফুর রহমান বলেন, ‘আমার ফেসবুক স্ট্যাটাসের কারণে শিশুরা তাদের মাকে ফিরে পেয়েছে।

আমি এটা নিয়ে খুব খুশি

‘বলদিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য বাবুল বাহাদুর বলেন, অবশেষে অজুফা বেগমকে শিশুদের হাতে তুলে দিতে পেরে আমি আনন্দিত। ‘চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় একটি মন্দিরে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। চাঁদপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শামসুল আলম বুধবার হাজীগঞ্জ পরিদর্শন করেন। এসময় তার সাথে চাঁদপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ কফিল উদ্দিনসহ হাজীগঞ্জ উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তদন্ত চলবে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত।চাঁদপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শামসুল আলম সাংবাদিকদের জানান, হাইকোর্টের নির্দেশে ১৩ অক্টোবর হাজীগঞ্জে সহিংসতার বিচার বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।কুমিল্লার পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ স্থাপনের ঘটনায় ১৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় হাজীগঞ্জ বাজারে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

মিছিল চলাকালে হাজীগঞ্জ পৌর

এলাকার বেশ কয়েকটি মন্দিরে হামলা ও ভাংচুর করা হয়। ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে গত ২৬ অক্টোবর হাইকোর্টে রিট করেন অনুপ কুমার সাহা। রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লা ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর ঘটনাস্থলেই তিনজনসহ মোট পাঁচজন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন মারা যান।হাজীগঞ্জ থানায় দুটি এবং মন্দির কর্তৃপক্ষ ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে আটটি মামলা দায়ের করেছে। হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম খলিল জানান, ১০টি মামলায় প্রায় ৫ হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে। বুধবার পর্যন্ত ১০২ জনকে আটক করা হয়েছে।

About admin

Check Also

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২১

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল বিসিসি বাংলাদেশের কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *