এবার পিএসজির মাধ্যমে প্রথম আলোকে হারিয়েছে বাংলাভিশন

এবার পিএসজির মাধ্যমে প্রথম আলোকে হারিয়েছে বাংলাভিশন, রিয়াদুল করিম এরই মধ্যে নিজেকে

প্রথম আলোর ‘নেইমার’ হিসেবে প্রমাণ করেছেন। তিনি তার দাবির স্বপক্ষে আরও “শক্তিশালী”

প্রমাণ দিয়েছেন। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) আয়োজিত প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট প্রাণ-ডিআরইউ ফুটবলে

প্রথম আলোর জয়ের নায়ক এখনো তিনি। তার গোলে শক্তিশালী বাংলাভিশনকে ১-০ গোলে হারিয়েছে প্রথম

আলো।প্রথম আলোর নেইমার আজ মাঠে পেয়েছেন বন্ধু মেসিকে। আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল

মেসির ‘অন্ধ ভক্ত’ সিনিয়র রিপোর্টার সেলিম জাহিদ আজ নেইমার রিয়াদুল করিমের জয়সূচক গোলের উৎস।

ম্যাচের পর রিয়াদের কন্ঠে উত্তেজনা ভরা। “মেসি” সেলিম জাহিদ ভাইয়ের পাশে বিজয়ী গোল করতে

পেরে আমি খুব খুশি। ‘রিয়াদের গোলের উৎস হয়েও প্রথম আলোর ‘মেসি’ সেলিম জাহিদ আশ্চর্যজনকভাবে নীরব।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:allresult.xyz

এবার পিএসজির মাধ্যমে প্রথম আলোকে হারিয়েছে বাংলাভিশন

প্রতিবেদক তার সাথে যোগাযোগের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। নাকি এরই মধ্যে পরের ম্যাচের জন্য অনুশীলনে

নেমে পড়েছেন। তার লক্ষ্য দলকে চূড়ান্ত সাফল্যের দিকে নিয়ে যাওয়া।প্রথম ম্যাচে অনিবার্য কারণে মাঠে

যেতে পারেননি দলের কোচ, প্রথম আলোর বাণিজ্য বিভাগের সচিব সুজয় মহাজন। তিনি এ দিন দাবি

করেন যে তিনি শারীরিকভাবে দলের সাথে থাকতে পারবেন না, তবে “কার্যত” তিনি দলকে দিকনির্দেশনা

দিয়েছেন। আজ অবশ্য সুজয় মাঠে ছিলেন। এই জয়ে খুশি তিনি। শুধু খুশি’? অভিভূত না? তিনি বলেন,

একজন কোচ হিসেবে আমি দলকে আরও বড় সাফল্য দিতে চাই। টানা দুটি জয়ে আমি খুশি, তবে অভিভূত নই।

আমাদের আরও কাজ আছে। আমি দলের সবাইকে বলব মাটিতে পা রাখতে। রিয়াদুল করিম,

সেলিম জাহিদ, আসাদুজ্জামান, আরিফুর রহমান, শফিক কলিম, সানাউল্লাহ সাকিব,

মোস্তফা মানিক, নুরুল আমিন—সবাই ভালো খেলেছে।

তবে আমি তাদের কাছ থেকে

আরও ভালো খেলা দেখতে চাই। ‘ম্যানেজার, প্রথম আলোর কূটনৈতিক প্রতিবেদক রাহেদ এজাজও কোচ সুজয় মহাজনের সঙ্গে একমত, ‘এখনও আনন্দে আচ্ছন্ন হওয়ার সময় আসেনি। আমাদের লক্ষ্য বৃহত্তর সাফল্য. “গোলে তখনও দুর্দান্ত ছিলেন দলের অধিনায়ক আরিফুর রহমান। ‘চীনের প্রাচীর’ হয়ে ওঠার জন্য বাংলাভিশন দলের একাধিক প্রচেষ্টা তিনি ফিরিয়ে দেন। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, আমি চাই শিরোপা জিতে দল ফিরে আসুক।টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনাল এই মুহূর্তে হাত কাঁপছে প্রথম আলোকে। আগামীকাল গ্রুপের শেষ ম্যাচে আরটিভিকে হারাতে পারলে শেষ আটে নিশ্চিত হবে দলটি।উন্নয়নের জন্য একটি সরকারের দাবি সত্য বা মিথ্যা তা সে দেশের জনগণের ক্যালরি গ্রহণ, দারিদ্র্য, গণপরিবহনের মান, স্বাস্থ্যের মান, উচ্চ শিক্ষার মান, পুষ্টি, বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা, ন্যূনতম মজুরি, বেকারত্ব, ইত্যাদি দ্বারা নির্ধারিত হয়।

ক্ষুধা সূচক মানব উন্নয়ন সূচক গণতন্ত্র

-বিন্যাসযোগ্য। এগুলো বাস্তব পরিসংখ্যানের বিষয়। তবে একটি অধরা বিষয়ে কথা বলা যাক। অর্থাৎ অ্যাথলেটিক্স বা অলিম্পিকে সে দেশের অবস্থান। অ্যাথলেটিক্স বা অলিম্পিকে বাংলাদেশের কোনো সাফল্য নেই। খেলাধুলার সাফল্য বাংলাদেশের ‘জীবনের মান’ বা ‘মাথাপিছু আয়’ উন্নয়ন ব্যাখ্যা করার সুযোগ তৈরি করেনি। বাস্তবতা হলো বাংলাদেশের ক্রীড়া অবকাঠামো অন্তর্ভুক্তিমূলক নয়। এখানে সবার প্রবেশাধিকার নেই, লক্ষাধিক মানুষের খেলাধুলার সুবিধা নেই। সাধারণ জনগণের জন্য, শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের খেলাধুলায় প্রবেশাধিকারের অভাব বৈষম্যমূলক এবং অসংলগ্ন অস্বাস্থ্যকর বিকাশের একটি স্পষ্ট সূচক। একদিকে তৃণমূলে পরিকল্পিত ক্রীড়া অবকাঠামোর অনুপস্থিতি সমাজে মাদক ও অপরাধের বিস্তারে ভূমিকা রাখছে।জাতীয়তাবাদী খেলা-বাণিজ্যের ঢেউয়ে ক্রিকেটের বাইরের অপরাপর খেলাগুলোও যে শিশু-কিশোরের প্রতিভা বিকাশের ক্ষেত্র হতে পারে, এ বোধ পুরোপুরিই উঠে গেছে। অন্যদিকে বাজে ব্যবস্থাপনার অধীন ক্রিকেটও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারছে না।

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *